কঠোর বিধিনিষেধের পঞ্চম দিনে সড়কে যানবাহন বেড়েছে

0
17

সারাদেশে চলা কঠোর বিধিনিষেধের পঞ্চম দিনে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে যানবাহন ও মানুষের চলাচল বেড়েছে। কিছু এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে দোকানপাটও খোলা হচ্ছে।
আজ সোমবার (৪ জুলাই) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন চেকপোস্টগুলোতে দেখা গেছে যানবাহনের জট। এ ছাড়া অলিগলিতেও দোকানপাট খোলার সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি মানুষের আনাগোনা বেড়েছে।

সকালে খিলগাঁও রেলগেট, বাসাবো, মানিকনগর, মালিবাগ রেলগেট, চৌধুরী পাড়া, রামপুরা, বাড্ডা, রিং রোড, নতুন বাজার, কাকলী, বনানী ও ধানমন্ডি ২৭ নম্বরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
গত কয়েক দিন রাজধানীতে বৃষ্টি ছিল, তবে সোমবার সকাল থেকেই ঝকঝকে রোদ। রামপুরা কাঁচাবাজারে দেখা গেল অনেকেই বাজার করতে বেড়িয়েছেন। মাছ-সবজি এবং মুদি দোকান সকাল থেকেই খোলা।
শান্তিনগরে বাজার করতে আসা শারমিন আখতার নামে এক গৃহিণী বলেন, বাজারের বিক্রেতারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে চান না। এ কারণে তিনি বাজারে ঢোকেননি, রাস্তার পাশ থেকে শাক-সবজি কিনেছেন। দেখবেন, ওই সবজি বিক্রেতারাও মাস্ক গলা ঝুলিয়ে রেখে। কিছু বললে বলে সারাক্ষণ মাস্ক পরে থাকতে নাকি তাদের ভালো লাগে না।
নতুন শাহজাদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যানজট দেখা গেছে। কাকলী মোড়ে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে চেকপোস্ট পরিচালিত হচ্ছে। সেখানেও ব্যক্তিগত গাড়িরসহ পণ্যবাহী বিভিন্ন যানবাহনের জট দেখা গেছে। দায়িত্বরত সেনাসদস্যরা প্রতিটি গাড়ি চেক করছেন। যৌক্তিক কারণ ছাড়া বাইরে বের হওয়া যানবাহনগুলোর বিরুদ্ধে মামলাসহ আটক করে রাখতে দেখা গেছে। সাতরাস্তা মোড়ের চেকপোস্টে কঠোরভাবে যানবাহন চেক করা হচ্ছে। বিনা কারণে বাইরে বের হলেই মামলাসহ আটক করা হচ্ছে।
একই চিত্র দেখা গেছে মিরপুর সড়কে। এই সড়কটিতেও বিভিন্ন ট্রাফিক মোড়ে ব্যক্তিগত গাড়িকে ট্রাফিক সিগন্যালে আটকে থাকতে দেখা দেখা গেছে। এ ছাড়া শহরের অন্যান্য সড়কগুলোতেও ব্যক্তিগত গাড়ি ও রিকশার বাড়তি উপস্থিতি দেখা গেছে।
সড়কে গাড়ির উপস্থিতি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অনেক চেকপোস্টে কিছুটা ঢিলেঢালা অবস্থানও লক্ষ্য করা গেছে। কিছুকিছু চেকপোস্টে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের চেক ছাড়াই যান ছেড়ে দিতেও দেখা গেছে। বাড্ডা ইউলুপ এলাকার চেকপোস্টে তিন পুলিশ সদস্যকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। ত
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লকডাউনে চার দিন বন্ধ থাকার পর আজ সোমবার থেকে ব্যাংক-বিমা খুলেছে। সেই সঙ্গে চালু হয়েছে শেয়ারবাজারও। এ ছাড়াও জরুরি সেবার অফিসগুলো খোলা থাকার কারণে জরুরি প্রয়োজনেই গাড়ির সংখ্যা বেড়েছে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here