ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ নিষিদ্ধ

ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ নিষিদ্ধ

ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ নিষিদ্ধ

📅12 April 2018, 22:20

১২ এপ্রিল, CNBD : বৈজ্ঞানিক ভিত্তি না থাকায় ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে চিকিৎসকদের করা ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ নিষিদ্ধ করেছেন হাইকোর্ট।

আজ বৃহস্পতিবার দেওয়া এক রায়ে আদালত বলেন, এই টেস্টের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি না থাকায় এখন থেকে কোনো ধর্ষণ মামলায় নারীর ওপর এই পরীক্ষা করা যাবে না।

এর আগে, ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর মানবাধিকার সংগঠন আইন ও শালিস কেন্দ্র (আসক), বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ, ব্র্যাক, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন, নারীপক্ষ নামে ৬টি পৃথক সংগঠন এবং দুইজন ব্যাক্তি ধর্ষণের শিকার নারীর ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে কিনা এই বিষয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একই বছরের ১০ অক্টোবর হাইকোর্ট ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের শিকার নারীদের ডাক্তারি পরীক্ষা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়নে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়।

এরপর দীর্ঘ সময় ধরে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার টেস্টটি নিষিদ্ধ করে রায় দিলেন হাইকোর্ট।

`টু ফিঙ্গার টেস্ট’ কী

ধর্ষণের অভিযোগের ক্ষেত্রে ভিকটিম নারীর যোনিমুখে আঙুল ঢুকিয়ে দেখা হয়, তার হাইমেন (যোনিমুখের পর্দা) অটুট রয়েছে কি না। আগে ধারণা করা হতো এই পরীক্ষার মাধ্যমে নারীর শারিরীক সম্পর্ক হয়েছে কিনা প্রমাণ পাওয়া সম্ভব। ধর্ষণ সংক্রান্ত মামলার ডাক্তারি প্রমাণ হিসেবে অবিবাহিত নারীর ক্ষেত্রে এই পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বলেও মনে করা হতো। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, এই পরীক্ষার কোনও কার্যকারিতা নেই। কারণ শারীরিক সম্পর্ক ছাড়া আরও বিভিন্ন কারণে কারণে হাইমেন ছিন্ন হতে পারে।

No Comments

No Comments Yet!

You can be first one to write a comment

Leave a comment