পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে মিয়ানমারের সমাজক্যাণমন্ত্রী উইন মিয়াত’র বৈঠক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ‘খুব শিগগিরই’ শুরু হবে: মিয়ানমারের মন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে মিয়ানমারের সমাজক্যাণমন্ত্রী উইন মিয়াত’র বৈঠক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ‘খুব শিগগিরই’ শুরু হবে: মিয়ানমারের মন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে মিয়ানমারের সমাজক্যাণমন্ত্রী উইন মিয়াত’র বৈঠক রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ‘খুব শিগগিরই’ শুরু হবে: মিয়ানমারের মন্ত্রী

📅12 April 2018, 22:27

১২ এপ্রিল,CNBD : রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ‘খুব শিগগিরই’ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মিয়ানমারের সমাজক্যাণমন্ত্রী উইন মিয়াত।
আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠকের পর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী উইন মিয়াত আয়ে গতকাল বুধবার কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেছেন। গত ২৫ অগাস্ট সেনাবাহিনীর দমন-পীড়নের মুখে রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের দেখতে এই প্রথম দেশটির কোনো মন্ত্রী রোহিঙ্গা শিবিরে আসেন।

কক্সবাজারের কুতুপালংয়ে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা পরিচালিত একটি কমিউনিটি সেন্টারে প্রায় ৫০ জন রোহিঙ্গার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। তাদের প্রত্যাবাসনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন বলে রোহিঙ্গাদের আশ্বস্ত করেছেন মিয়ানমারের মন্ত্রী।

মিয়ানমারের প্রতি রোহিঙ্গাদের ভীতি ও আস্থাহীনতার কথা স্বীকার করে উইন মিয়াত আয়ে অতীত ভুলে তাদের ‘নিজ ভূমিতে ফেরার’ প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। রোহিঙ্গাদের জন্য নতুন করে গড়ে তোলা গ্রামে হাসপাতাল ও স্কুল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

বৈঠক শেষে উইন মিয়াত আয়ে বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বৈঠক ‘খুবই ফলপ্রসূ’ হয়েছে মন্তব্য করে মিয়ানমারের মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল ক্যাম্পে থাকা বাস্তুচ্যুত লোকজনের সঙ্গে কথা বলা এবং বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ প্রধানত পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা। এখন আমাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এখন আমরা অনেক জটিলতা পেরোতে পারব এবং আমি নিশ্চিত যে, যত দ্রুত সম্ভব আমরা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে পারব।’

উইন মিয়াত আয়ে বলেন, ‘মিয়ানমারের আইন অনুযায়ী যত তাড়াতাড়ি তারা ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড নেবে, তত দ্রুত তারা নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবে। আইন অনুযায়ী তাদের জাতীয় যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্যে আসতে হবে, যাতে তারপরে তারা নাগরিকত্ব পেতে পারে।’

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআর ও জাতিসংঘ উন্নয়ন তহবিল-ইউএনডিপির সঙ্গে তাদের আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক প্রস্তাবও করা হয়েছে। আমরা এটা খুব শিগগির চূড়ান্ত করতে পারি

No Comments

No Comments Yet!

You can be first one to write a comment

Leave a comment