বিমানবন্দর রেলওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম মানবতার জন্য অনন্য দৃষ্টান্ত

0
137

কবির: বিশ্বের উন্নত দেশের জনগণ বিপদে-আপদে পুলিশকে পরম বন্ধু হিসাবে দেখে থাকে। বাংলাদেশের পুলিশও জনগণের জানমালের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহ সেবার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে থাকেন। যদিও স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের পুলিশ কতটা জনগণের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে এ নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। তবে পুলিশের এমন কিছু কর্মকর্তা রয়েছেন যারা নিজের সুবিধার কথা চিন্তা না করে অসহায় জনগণের পাশে গিয়ে দাড়ান। দেশ এবং জনগণের জন্য নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। জীবনের ঝুকি নিয়ে জনসাধারণের জন্য কাজ করেন। এ ধরণের পুলিশ কর্মকর্তাদের কর্মকান্ডের কারণে জনগণ পুলিশকে পরমবন্ধু হিসাবে মূল্যায়ন করে থাকে। এমনই একজন পুলিশ কর্মকর্তা এসআই মো:আমিনুল ইসলাম । যিনি নিজেকে কখনও পুলিশ হিসাবে নয়, জনগণের একজন সেবক হিসাবে অতিসাধারণ বেশে জনগণের পাশে থাকার চেষ্টা করেন। তিনি গত ১৬ই মে ২০২০ ফাঁড়ি ইনচার্জ হিসাবে ঢাকা জেলার বিমান বন্দরে রেলওয়ে স্টেশনের পুলিশ ফাঁড়ির যোগদান করেছেন। যোগদানের পর জনস্বার্থ ও মানবিক সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি কাজ করেছেন যা স্থানীয় জনগণের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। যার মধ্যে আলোচিত মাদক ব্যবসায়ীর আস্তনা নির্মূল, রেলওয়ে স্টেশনে হকারমুক্ত।তিনি এলাকার সবশ্রেণির মানুষের কাছে অতিপরিচিত নাম। এসআই মো:আমিনুল ইসলাম শুধুমাত্র বিমানবন্দর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশদের জন্য কাজ করেই ক্ষান্ত হননি। তিনি এখনও বিমানবন্দর এলাকা অসহায় মানুষদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। ব্যক্তিগত তরফ থেকে বিভিন্ন সময়ে খাদ্যসামগ্রী দিয়ে অসহায় মানুষদের সাহায্য সহযোগিতা করে পাশে দাঁড়িয়েছেন।

তার নির্দেশে প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের খাবার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের মাঝে খাবার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিবন্ধী, পথ শিশু,মসজিদ ও মাদ্রাসা সহযোগিতা করেন তার সাধ্যমত।
এসআই আমিনুল ইসলামের নির্দেশে সত্যিকারের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের খাবার সামগ্রী দেয়ার জন্য কৌশল অবলম্বন করে রাতের আঁধারেও এলাকা চষে বেড়িয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। একই সময়ে বিমান বন্দর পুলিশ ফাঁড়ির এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মমাফিক কার্যক্রমও চালিয়েছিলেন।জিআরপির ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বলেন, আমি এখানে ১৬/০৬/২০২০ ইং তারিখে যোগদানের পর থেকেই প্রতিনিয়ত চুরি-ছিনতাই মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছি।
গত ৪/১০/২০২০ ইং তারিখে মোবাইলসহ খোরশেদ আলম নামের একজন চোরকে, ২২/১০/২০২০ ইং তারিখ গাঁজাসহ মুনিম ও নাইম নামে দুজনকে আটক করে ও ৮/১১/২০২০ ইং তারিখে অজ্ঞান পার্টির কামাল নামে একজনকে আটক করে ঢাকা রেলওয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এছাড়াও নিয়মিত অভিযানের ফলে প্লাটফরম এলাকায় হকারমুক্ত রাখা হয়েছে এবং চলমান এ অভিযান অব্যহত রয়েছে। বিমানবন্দর এলাকা সকলেই তার কাজের প্রশংসা করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here